Archive for May 2014

আজ পিসিতে নামাজের সময়সূচীর একটি পিডিএফ ফাইল খুঁজে পেলাম, আনেকদিন আগে নেট থেকে ডাউনলোড করেছিলাম। এটাতে 'সত্যের পথ' এর সৌজন্যে লেখা রয়েছে। জানিনা 'সত্যের পথ' কারা বা কি, তবে জিনিসটার জন্য 'সত্যের পথ'কে জাঝাকাল্লাহ।



ফাইলটি গুগল ড্রাইভ থেকে সরাসরি ডাউনলোড করতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন, সাইজ ৬৭.২ কিলোবাইট।


আলহামদুলিল্লাহ, অবশেষে সীরাত প্রতিযোগিতার পুরষ্কার 'এন্ড্রয়েড ট্যাব'টি আজ ইউসুফ সুলতান সাহেব হুজুর থেকে নিয়ে আসলাম।




সকালে দরসের পরই সোয়া বারটার দিকে রওনা হয়ে যাই, সাথে মোহাম্মাদুল্লাহ আর আহসানুল্লাহ ভাইও ছিল। গুলিস্তান হয়ে মালিবাগ রেলগেট, বাইতুল ফালাহ মসজিদে নামাজ পড়ি। ইউসুফ সুলতান সাহেব সেখানের খতীব, বয়ানে তার একটি কথা আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে, তিনি মানুষকে একশত বছর আগের কম্পিউটারের সাথে তুলনা দিয়েছেন। যেগুলো নাকি ইয়া বিশাল আকৃতির হত, বিশাল যায়গা নিয়ে সেটাকে সেটাপ করতে হত, সেগুলোর একেকটা পার্টস হত একটা রুমের সমান, অথচ সেই কম্পিউটার সামান্য যোগ-বিয়োগ টাইপ অংক করতেই কয়েক ঘন্টা সময় লাগাত।
আচ্ছা সেই কম্পিউটার কি কখনো বুঝতে পেরেছিল যে তার যেটুকু ক্ষমতা সেটা নিতান্তই অল্প! আসলে সেটার ক্ষমতা এতই কম ছিল যে সেটা কখনো বুঝতে পারেনি যে তার ক্ষমতা আসলেই কম!!
বর্তমান আধুনিক কম্পিউটারগুলোর ক্ষমতা এত বেশি যে সেগুলোর একটার সমান ক্ষমতাধর কম্পিউটার যদি সেই একশত বছর আগে বানানো হত তাহলে সেটার কলেবর সৌরজগতের গ্রহগুলোর পথে বাধা সৃষ্টি করত!!
আচ্ছা, বর্তমান আধুনিক কম্পিউটার কি এটা বুঝতে পারে যে তার ক্ষমতা খুবই সামান্য!সেকি কখনো বুঝতে পারবে যে, তাকে যে বানিয়েছে সে "মানুষ" কথ ক্ষমতাধর। সেকি কখনো বুঝতে পারবে মানুষের ক্ষমতা !!!
পারবেনা, কারণ সে যত উন্নতই হোক না কেন, যত ক্ষমতাধর চিন্তাশক্তির অধিকারীই হোক না কেন মানুষই হল সেগুলোর স্রষ্টা। মানুষের চিন্তাধারা ও জ্ঞানের কাছে একটি আধুনিক কম্পিটার বা ভবিষ্যতের অত্যাধুনিক কম্পিউটারের জ্ঞান ও চিন্তাধারা (লজিক!) হল সীমাবদ্ধ, এবং সংক্ষিপ্ত।

তো যেরকম ভাবে একটি কম্পিউটার কখনো মানুষের ক্ষমতা বুঝতে পারেনা, সেরকম ভাবে কোন মানুষও তার স্রষ্টা আল্লাহ তায়ালার ক্ষমতা বুঝতে পারবে না, আল্লাহ তায়ালার ক্ষমতা নিয়ে চিন্তা করবে, চিন্তা করতে করতে একসময় সে ক্লান্ত হয়ে পড়বে, কিন্তু আল্লাহ তায়াল ক্ষমতা সে বুঝতে পারবেনা। কারণ আল্লাহ তায়ালার কুদরতের সামনে সকল মানুষের জ্ঞান ও চিন্তাশক্তি সীমিত, সীমাবদ্ধ। যদিও এটাও মানুষ বুঝতে পারেনা, কারণ তাদের আসলে এটা বোঝার মত শক্তি বা ক্ষমতাও নেই, যেমন নেই একটা কম্পিউটারের...

বিশাল একটা বয়ান করে ফেললাম। ইউসুফ সুলতান সাহেবকে জাঝাকাল্লাহ, তার বয়ানের জন্য।
তো নামাজ শেষে আমরা তিনজন তার সাথে দেখা করার জন্য অপেক্ষা করতে থাকলাম, দেখি নামাজের পর বেশ কয়েকজন মুসল্লি তার নিকট গোল হয়ে বসেছে, আমরাও গেলাম। সেখানে কয়েকজন তার কাছে মাসয়ালা জিজ্ঞাস করছে আর তিনি সেগুলোর উত্তর দিচ্ছিলেন, আমিও একটা প্রশ্ন করেছিলাম, ডিজিটাল ক্যামেরা বা মোবাইল দিয়ে মানুষ বা প্রনীর ছবি তোলা জায়েজ কিনা? তিনি সুন্দর করে সেটার উত্তর দিয়েছেন। জাঝাকাল্লাহ।

তারপর আমাদের সাথে তিনি কথা বললেন, ট্যাবটা আমাকে দিলেন এবং... আমার একটা ইচ্ছা ছিল যে আমি হুজুরকে বলব, পুরষ্কার বিতরণের দিন তো সবাই আপনার সাথে ছবি তুলেছে, এখানে আমিও আপনার সাথে ছবি তুলব। কিন্তু মসজিদ এর ভিতরে তিনি ছবি তুলতে সংকোচবোধ করছিলেন বিধায় আর বলিনি... তবে মজার ব্যপার কি জানেন :) একটু পর তিনিই আমার ছবি তুললেন :P

তার কাছে থেকে বিদায় নিয়ে (তখন তিনি আমাকে বলেছিলেন, আপনার এই কার্যক্রম/অগ্রগতি অব্যহত থাকুক!! যেটা আসলে তিনিই আমাকে প্রথম বলেছেন :)  ) মালিবাগ জামিয়া মাদরাসায় আসলাম, আহসানুল্লাহ ভাইয়ের পরিচিত তাকমীল জামাতের বরকত ভাই আমাদেরকে মেহমানদারী করলেন :) , জাঝাকাল্লাহ, বরকত ভাই !
সেখানে আমার কাছে ট্যাবটি দেখে অনেকে জানতে চেয়েছিল সেটা কোথা থেকে পেয়েছি, বলার পর লক্ষ করলাম, সীরাতের এ বিষয়টা সে মাদরাসার অন্তত তাকমীল জামাতের বেশির ভাগ তালিবুল ইলমই জানেনা।

চারটার দিকে সেখান থেকে রওনা দিয়ে বাসার সামনে এসে মসজিদে আসরের নামাজ পড়লাম।

এখন দারুল উলুম মাদরাসায় মাহফীল চলছে, বিরিয়ানি খেতে সেখানে যাব... খোদা হাফেজ!!
(দাওয়াত দিলাম না বলে আবার রাগ করবেন না কিন্তু!! )


ঘটনার শুরু হয়েছিল এক দুপুরে, দরসের প্রস্তুতি নিচ্ছি এমন সময় মাহদী ভাই এসে বলল আপনি কি সীরাত প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহন করেছেন ? আমি জিজ্ঞাস করলাম কোন প্রতিযোগিতা !? তিনি তখন আমাকে বিস্তারিত জানালেন। এবং বললেন তার ভাই আব্দুল্লাহ মারুফও এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছে এবং তার কাছ থেকেই তিনি ব্যাপারটা জেনেছেন।
মাহদী ভাই আব্দুল্লাহ মারুফ ভাই কিভাবে তার পরিকল্পনা করেছেন সেটারও একটা বর্ননা দিলেন, এবং সত্যি কথা বলতে কি, আমি সেই বর্ননার ছায়া অনুসারেই আমার পরিকল্পনা লিখেছি। (ব্যপারটাকে আপনি নকলও বলতে পারেন ;) ) তো এখানে আমার কিন্তু কোন দোষ নেই, একটা জিনিস জেনে ফেলা কি দোষ !!??
এই প্রতিযোগিতায় আমি অংশগ্রহন করেছি দুটি কারণে, সীরাত ওয়েবসাইটের সাথে যাতে যুক্ত থাকতে পারি (একারণটি সম্ভবত সব প্রতিযোগিরই ছিল !) এবং প্রতিযোগিদের সান্তনা পুরষ্কারের লোভে :P । প্রথম সাড়িতে থাকার কথা ধারণাও করিনি। কিন্তু আলহামদুলিল্লাহ, ............
পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে আমি  দরসের কারণে যেতে পারিনি। রাতে যখন নেটে বসলাম দেখি আব্দুল্লাহ মারুফ ভাইয়ের একটা ম্যাসেজ "আপনি দ্বিতীয় হয়েছেন"। প্রথমে মনে করলাম তিনি মজা করছেন ! কিন্তু তিনি কেন মজা করবেন !! পরে তার কথামত ইউসুফ সুলতান সাহেবের সাথে কথা বলে জানলাম আসলেই... আলহামদুলিল্লাহ।
আমি অনুষ্ঠানে যাই নি, তাই আব্দুল্লাহ মারূফ ভাই তার অনুষ্ঠানের কার্ডটি আমাকে হাদিয়া দিয়েছেন, এইযে সেটা...



আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ তায়ালা আমাকে এই সৌভাগ্য দান করেছেন, আব্দুল্লাহ মারুফ ভাইকে জাঝাকাল্লাহ, আল্লাহ তায়ালা আপনাকে সর্বদা দ্বীনের উপর থেকে তাঁর সন্তুষ্টি অর্জনের তৌফিক দান করুন। এবং মাহদী ভাইকেও জাঝাকাল্লাহ, আমাকে "কান ধরে" এই কাজটি করানোর জন্য :)


আমার বিতর্কবেলা...

বুধবার, ২১ মে, ২০১৪
লিখেছেনঃ Rabiul Islam
আসসালামু আলাইকুম!
বাইতুর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাদরাসায় আমার দুই বছরের ইতিহাসে উল্লেখযোগ্য একটি ঘটনা হল বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করা। এর আগে আমি কখনো বিতর্ক প্রতিযোগিতা করিনি এবং আশা করি আগামীতেও করব না, কারণ এই দুই বছরে বিতর্ক থেকে একটা জিনিস বুঝতে পেরেছি, তাহলো বিতর্কের মাধ্যমে কোন সমস্যার সমাধান হয় না, বা বলতে পারেন বিতর্কের আসলে বাস্তবে কোন ফলাফল থাকেনা!



আমার প্রথম বিতর্কের বিষয় ছিলঃ বর্তমানে তালিবুল ইলমদের জন্য ইংরেজি শেখা আবশ্যক!,  আমি ছিলাম বিপক্ষে!
এমনিতেই আমি মঞ্চে দাঁড়িয়ে কথা বলতে ভয় পাই। বিতর্কে অংশগ্রহন করতেই চাইনি কিন্তু ছেলেগুলো জোর করে নাম দিয়ে দিয়েছে !  তার উপর আবার আমাকে দলনেতা বানিয়ে দেয়া হয়েছে, কিযে ভয় পেয়েছিলাম! নিজের যুক্তিগুলোই ঠিক করতে পারিনা আবার বাকীদেরকে যুক্তি বলে দিতে হবে, কি ভয়ংকর। অবশ্য পরে বুঝতে পেরেছিলাম, অন্যদেরকে যুক্তি বলার কোন প্রয়োজন ছিলনা :)
কিরকম বিতর্ক দিয়েছি সেটা জানিনা, কিন্তু ফলাফলটা ছিল অদ্ভুত+মজাদার, কারণ আমার দলই জিতেছিল আর আমি হয়েছিলাম নাম্বার ওয়ান "......" "......"  !!! আলহামদু লিল্লাহ। এখানে অবশ্য মিযান ভাইয়ের কথা না বললেই নয়, তিনি সৌদিতে থেকেই আমাকে একেবারে তিন পৃষ্ঠা যুক্তি লিখে দিয়েছেন... জাঝাকাল্লাহ মিযান ভাই!

আমার দ্বিতীয় বিতর্কের বিষয় ছিলঃ আধুনিক বিজ্ঞান মানুষের জন্য রহমত! এটাতেও আমি ছিলাম বিপক্ষে!
পক্ষ দলের দলনেতা ছিলেন মাদরাসার বিখ্যাত বিতার্কিক "জুনায়েদ ভাই"। আমি নিশ্চিত ছিলাম যে এবার আমাদের খবর আছে, আমাদের দলনেতা মুহাম্মদ ভাই খুব চেষ্টা করেছিলেন দল জেতানোর কিন্তু আমরা সফল হতে পারিনি। পক্ষ দলের "বাশ" খাওয়া ছাড়া আমাদের আর কোন কাজ ছিলনা :) তবে ফলাফলটা যথারীতি অদ্ভুত, আমি হয়েছি প্রথম!

তৃতীয় বিতর্ক ছিলঃ  গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ইসলামী রাষ্ট্র কায়েকম করা সম্ভব! এটাতেও আমি বিপক্ষে ছিলাম (অদ্ভুত!) আর ছিলাম দলনেতা ;) ফলাফল আমরা " জয়ী + :) " (সবকিছু কি বলতে হয়!)

চতুর্থ বিতর্কঃ  বর্তমান ইসলামী রাজনৈতিক দলগুলোর মাধ্যমে বাংলাদেশকে ইসলামী রাষ্ট্র হিসেবে কায়েম করা সম্ভব!  বিপক্ষেই ছিলাম, আসলে আমার একটা ধারনা হয়ে গিয়েছিল যে বিপক্ষে থাকলেই জয় লাভ করা যায়, সে ধারণাকে ভেংগে দিয়ে আমাদেরকে কঠিন ভাবে "বাশান্নিত" করে গেল পক্ষ দলের দলনেতা নাজমুল ভাই। থাক এব্যাপারে আর কথা নাই বা বললাম!

পঞ্চম বিতর্কঃ ধারালো তরবারির চেয়ে শানিত কলমের অধিক প্রয়োজন! এই প্রথম আমি ছিলাম পক্ষে, কিন্তু অদ্ভুত বিষয় হল যাকেই এ বিষয়টার ব্যপারে জিজ্ঞেস করি সেই এর বিপক্ষে মত দেয়! তরবারি ছাড়া যেন কেউ কিছুই বোঝে না! সেদিন হাফলার সকল বিষয়ই ছিল জিহাদ কেন্দ্রিক! বক্তৃতা- তারানা ইত্যাদি সবই যেন তালিবুল ইলমদের জিহাদি মনোভাবকে আরো জাগিয়ে তুলেছিল। অনেকে তো এটা নিশ্চিত ছিলো যে এবার কলম হেরে যাবে, আমরাও মোটামোটি শংকিত ছিলাম, কারণ সারাদিন জিহাদি জঝবায় উজ্জীবিত তালিবুল ইলমদেরকে যদি মঞ্চে দাঁড়িয়ে বুক ফুলিয়ে মুনশিয়ানার সাথে বলি যে তরবারির দরকার নাই, কলম হলেই যথেষ্ট! তাহলে আবার কিনা কি হয়ে যায়!!! আলহামদু লিল্লাহ, বিষয় যেটাই হোক, জয় কিন্তু আমাদেরই হয়েছে :)

ষষ্ট বিতর্ক যেটা আমার সর্বশেষ বিতর্ক ছিলঃ জাগতিক উন্নতির প্রতি উদাসীনতা মুসলমানদের বর্তমান দুর্দশার কারণ! আমি এটাতেও ছিলাম পক্ষে। বিষয়টা নিয়ে যথেষ্ট ভুগেছি, প্রথমে তো বিষয়টা বুঝতেই পারিনি। খালি খুজে বেড়াতাম মুসলমানরা আবার দূর্দশায় কিভাবে !? আল্লাহর রহমতে এটাতেও আমাদের বিজয় হয়েছে এবং আলহামদু লিল্লাহ বিজয় বেশেই আমার বিতর্কবেলা শেষ হয়েছে।

কথাগুলো "আত্মপ্রশংসা" হয়ে গিয়েছে! অবশ্য আমিই যদি আমার ব্লগে আমর ঢোল না পিটাই তাহলে কে আমার ঢোল পেটাবে বলেন! তাই কিছু মনে করবেন না, আর আমার ব্লগে আসার জন্য আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ!



এই পোস্টের শিরোনাম দেখে হয়তো কোন "জ্ঞানী" ভাই সন্দেহে পড়ে ভাবছেন আরে, শিরোনামটা তো নকল নকল লাগছে !! আপনার সন্দেহ দূর করার জন্য বলছি, আসলেই শিরোনামটা নকল করা হয়েছে !!! তবে কোথা থেকে নকল হয়েছে সেটা কিন্তু সিক্রেট... ( যদি বুঝে ফেলেন তাহলে ভিন্ন কথা :P )


আসসালামু আলাইকুম!

আমরা যারা তালিবুল ইলম আছি তাদের জন্য তো বটেই, সাধারণ মানুষদের জন্যও অনেক সময় আরবী লেখার প্রয়োজন পরে। যারা প্রফেশনাল তাদেরতো উইন্ডোজই আরবী করা থাকে এবং আরবী টাইপিং এর উপর দক্ষতাও থাকে। কিন্তু আনপ্রফেশলান, অথবা মাঝেমধ্যে আরবী লেখার প্রয়োজন পরে এমন লোকদের জন্য হঠাৎ করে আরবী লেখা অথবা পিসির ভাষা আরবী করে ফেলা একটা ঝামেলার কাজ। তাই আমি আজ দুটি সহজ পদ্ধতি লিখব যাতে কখনো "টুকটাক" আরবী লেখার প্রয়োজন হলে যেন কাউকে পেরেশান হতে না হয়...



প্রথম পদ্ধতিঃ 
এ পদ্ধতিটা তাদের জন্য যাদের প্রায়ই "টুকটাক" আরবী লেখার প্রয়োজন হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রফেশনাল না, এবং একেবারে কমও না :)
বাংলা টাইপিং করার জন্য আমাদের সবার কম্পিউটারে নিশ্চয় "অভ্র" ইনসটল করা আছে। এখন শুধু এই ধাপগুলো অনুসরণ করুন

  • এখানে ক্লিক করে http://bit.ly/1paoK7C ফাইলটি ডাউনলোড করুন।  
  • ডাউনলোড করা ফাইলটি ডাবল ক্লিক করে ইনস্টল করুন। (ইনসটল করার আগে অভ্র চালু আছে কিনা দেখে নিন, চালু না থাকলে চালু করে নিন)
  • এবার অভ্রর আইকনের উপর ক্লিক করে "select keyboard layout" থেকে "ARABIC_AVRO" লে আউট টি সিলেক্ট করে দিন। 
ব্যস কাজ শেষ, এখন অভ্রতে আগে যেভাবে ফোনেটিক ভাবে বাংলা লেখতেন, সেভাবে ফোনেটিক আরবী লিখতে পারবেন।


যদি আপনার কম্পিউটারে অভ্র না থাকে তাহলে এ পদ্ধতিটি কাজ করবে না, অবশ্য বাংলা লেখার জন্য অভ্রর চেয়ে ভালো কোন সফট আমার জানামতে নেই, তাই আপনি বাংলার জন্য হলেও অভ্র ডাউনলোড করে ইনসটল করতে পারেন. ডাউনলোড লিংকঃ http://www.omicronlab.com/avro-keyboard-download.html 



দ্বিতীয় পদ্ধতিঃ
এটা একদম সহজ, যদি আপনি মাঝেমধ্যে টুকটাক আরবী লেখার প্রয়োজনবোধ করেন তাহলে এই পদ্ধতিটি আপনার জন্য।
  • এখান থেকে এরাবিক প্যাড সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে নিন।
  • এটা পোর্টেবল তাই ইন্সটল করার দরকার নেই, শুধু ডাবল ক্লিক করে ওপেন করুন
  • এটা নোট প্যাডের মত ওপেন হবে, ভিতরে যাই লিখবেন সেটাই ফোনেটিক ভাবে আরবী হয়ে যাবে :) আপনি শুধু সেগুলো কপি করে যেখানে ইচ্ছা ব্যবহার করবেন।



ফোনেটিক কাকে বলে সেটা যদি না জানেন, ফোনেটিক হল আপনি ইংরেজিতে যে শব্দটা লিখবেন আরবীতে সেটার উচ্চারন হিসেবে শব্দ লেখা হবে। যেমন আপনি লিখলেন "kaif ant" এটা আরবীতে হয়ে যাবে "كىف انت " বাংলায় যদি লিখতেন তাহলে হত "কাইফ আন্‌ত" !
অবশ্য ইংরেজি কোন অক্ষরে আরবী কোন অক্ষরের উচ্চারন হয় সেটা আগে জানতে হবে, লিখতে লিখতেই যেনে যাবেন। অবশ্য এই সফটগুলোতে এসব লেখাই থাকে। 




আরবীতো লেখা হল, এবার বোনাস হিসেবে কিছু ওয়েবসাইটের লিংক দেই... :) 

আমি প্রযুক্তির সাথে থাকতে পছন্দ করি, সাধারন ব্লগগুলোতে না ঘুরে প্রযুক্তিব্লগ গুলোতেই বেশি ঘুরি। তো একবার চিন্তা করলাম ইংরেজিতে এত টেকনোলজি ব্লগ, বাংলায় এত টেকনোলজি ব্লগ তাহলে তো আরবীতেও অবশ্যই টেক ব্লগ থাকবে... আর আমি আরবী টেক ব্লগ গুলোতেই যদি সময় কাটাই তাহলে "ল্যাটিন" আরবীর সাথেও অভ্যস্ত হতে পারব। তাই খোজা শুরু করলাম আরবী ব্লগ, কিন্তু কি আশ্চর্য। কোন ব্লগই খুঁজে পেলাম না... ! আসলে আরবীতে আমি এতই কাঁচা যে গুগলে সার্চ করে কোনটা সাধারন ব্লগ আর কোনটা টেক ব্লগ সেটা বুঝতেই পারিনি ...

যাই হোক, অবশেষে কয়েকটি টেক ব্লগ পেয়েই গেলাম,  হয়তো অনেকেই পছন্দ করবে না, কিন্তু কি আর করার ...

www.tech-echo.com
www.techof.net/ar
www.digitalqatar.qa


তাহলে আজকের মত বিদায়, এখন আবার দরসে যেতে হবে... খোদা হাফেজ! 
আমার ব্লগে আপনাকে স্বাগতম

কিছু লেখা

Copyright © রবিউল ইসলাম - Powered by Blogger